
তিনি গতকাল বুধবার নিজ বাড়ীতে ঘরের ধর্নার সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
মৃত্যুর আগে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি অনলাইন জুয়া, দেড় কোটি টাকার লেনদেন এবং এক ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলে যান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ওই ব্যাংক কর্মকর্তা গোপালপুরের একটি ব্যাংকে কর্মরত।
দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেন ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলেও অপরপক্ষ বলছে, সব টাকা যথাসময়ে পরিশোধ করা হয়েছে এবং ফেসবুকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।
এদিকে আমিনুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার ভেঙে পড়েছে।
তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। রেখে গেছেন বৃদ্ধ বাবা-মা, তিন বছরের একটি সন্তান এবং অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো, অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থের লেনদেন কিভাবে একটি পরিবারকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এখন সবার দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং প্রকৃত সত্য সামনে আসুক।

২৯.৫৫°সে
