Header Border

ঢাকা, , | () ২৯.২°সে

পোরশার কাতকইল দাখিল মাদ্রাসায় সুপারের হাজিরা খাতার স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলার অভিযোগ। পোরশার কাতকইল দাখিল মাদ্রাসায় সুপারের হাজিরা খাতার স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলার অভিযোগ।

নওগাঁর পোরশা উপজেলার মুর্শিদপুর ইউনিয়নের কাতকইল দাখিল মাদ্রাসায় সুপারিন্টেন্ডেন্টের হাজিরা খাতায় দেওয়া স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। তবে হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সভাপতি।

লিখিত অভিযোগে আব্দুল বারী উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ১১ জানুয়ারি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন এবং আপিল অ্যান্ড আর্বিট্রেশন কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই তাকে বরখাস্ত করা হয়। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে আদালত তার পক্ষে রায় দেন। আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ১০ মার্চ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড তাকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আইনি প্রক্রিয়া চললেও চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আবারও তার পক্ষে রায় দেন। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা আপিল খারিজ হলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে। ওই আদেশের ভিত্তিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার লিখিত অনুমতি নিয়ে তিনি গত ৩০ এপ্রিল মাদ্রাসায় যোগদান করেন এবং ২৯ জুন পর্যন্ত নিয়মিত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ জুন মাদ্রাসা ছুটির পর ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতা নিজের হেফাজতে নিয়ে প্রায় দুই মাসের উপস্থিতির স্বাক্ষর ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলেন। পরে নতুন একটি হাজিরা খাতা চালু করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সভাপতি মিজানুর রহমান হাজিরা খাতায় ফ্লুইড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। হাজিরা খাতার স্বাক্ষর এভাবে মুছে দেওয়ার ক্ষমতা তার রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। জেনে জানাব।” পরে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর সাড়া দেননি।

সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল বারীর দাবি, পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্ররোচনায় বর্তমান সভাপতি বিধিবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর মুছে দিয়েছেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শামসুল আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ছবির ক্যাপশন:
অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

মোবাইল ফোনে ছবি দেখানোর প্রলোভন: পোরশায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলা, আসামি পলাতক।
নওগাঁর পত্নীতলায় বাবা মারা গিয়েছে ৩ বছর আগে, কারাগারে মা — মায়ের অপেক্ষায় দুই সন্তান।
ঝড়ো বাতাসে ভেঙে পড়া গাছের ডালে সড়কে প্রতিবন্ধকতা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে যান চলাচল স্বাভাবিক।
নিয়ামতপুরে ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার।
নওগাঁ সদর থানার অভিযানে কুখ্যাত চোর গ্রেফতার, চোরাই মালামাল উদ্ধার।
নওগাঁ জেলার সাপাহার সদরে যানজট নিরসনে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান।

আরও খবর

error: Content is protected !!