Header Border

ঢাকা, , | () ২৬.৫২°সে

ঢাকার ডিসিকে জামায়াতের চিঠি, লংমার্চে সহযোগিতা কামনা

রাজনীতি ডেস্ক: সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। এই কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি দলটির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি প্রতিনিধি দল গিয়ে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পৌঁছে দেয়, যেখানে কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশাসনের সার্বিক সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তারা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের স্বাক্ষরিত অনুরোধপত্রটি জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন। পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামায়াত নেতা জানান যে, জনগণের অধিকার আদায় এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য এই লংমার্চ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ আটটি দাবি সামনে রেখে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত দিনে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে একটি উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই কর্মসূচিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করবেন।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী লংমার্চের গাড়ি বহরটি ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বিভিন্ন পথসভায় অংশ নেবে। এর মধ্যে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাট কাটাখালী মোড়, খুলনার শিববাড়ি মোড় ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড, যশোরের মুন্সিপাড়া বা মোজদি মোড় এবং চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে নির্ধারিত পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব পথসভায় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখবেন এবং সর্বশেষ কুষ্টিয়া জেলা স্কুল মাঠে একটি বিশাল সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘ লংমার্চ কর্মসূচি সমাপ্ত হবে।

ড. হেলাল উদ্দিন আরও উল্লেখ করেন যে, লংমার্চের বিশাল গাড়িবহর এবং পথসভাগুলো যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হতে পারে, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সর্বাত্মক সহযোগিতা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। জেলা প্রশাসনও চিঠিটি গ্রহণ করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

পুরোনো ফ্যাসিবাদ নতুন করে ফিরে আসছে: সাদিক কায়েম
বিএনপির নেতাকর্মীদের ফ্যাসিবাদী আচরণ না করার আহ্বান রিজভীর
সংসদে মিষ্টির শূন্য আসনে কে বসছেন, চেনা মুখ–তৃণমূল নেত্রীরাও তৎপর
জিএম কাদেরের বাসার সামনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার দাবি
জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা
পূজায় সম্প্রীতি রক্ষা ও জনস্বার্থে এনসিপির একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা

আরও খবর

error: Content is protected !!