Header Border

ঢাকা, , | () ২৯.১৬°সে

পদ্মা সেতুতে মিলেছিল ব্যাগ-জামা, এবার নদী থেকে উদ্ধার পাঁচ খুনের আসামি ফোরকানের মরদেহ পদ্মা সেতুতে মিলেছিল ব্যাগ-জামা, এবার নদী থেকে উদ্ধার পাঁচ খুনের আসামি ফোরকানের মরদেহ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাঁচ খুনের ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছিল। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর ওপর একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিআইডি। পরে যাচাই-বাছাই করে জানা যায়, সেগুলো পলাতক ফোরকানের। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ওই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নৃশংস এ ঘটনায় নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

পেশায় প্রাইভেটকারচালক ফোরকান মিয়া বছরখানেক আগে রাউতকোনা গ্রামের ওই বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর গ্রামে; বাবার নাম আতিয়ার রহমান মোল্লা।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। এরপর প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে গিয়ে বীভৎস দৃশ্য দেখতে পান।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

সংবিধান সংশোধন: রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় বিচার বিভাগ থাকুক
আয়াস, মারজিয়াদের বিরুদ্ধে কোন ধারায় কী কী অভিযোগ আনা হয়েছে
সাত পুলিশ সদস্যের নামে মামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ
আয়াশসহ চারজনকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো
‘আদালতে পা দিলেই মনে হয় এ বুঝি ভবন ধসে পড়বে’
বিচারিক অভিজ্ঞতা ছাড়াই বিচারক পদে পদোন্নতি

আরও খবর

error: Content is protected !!