Header Border

ঢাকা, , | () ৩০.৮৬°সে

নবীজির দৃষ্টিতে প্রকৃত বুদ্ধিমানের মানদণ্ড কী

ইসলাম ধর্মে বুদ্ধিমত্তার ধারণাটি কেবল পার্থিব জ্ঞান বা চতুরতা নয়, বরং এটি এক ধরনের উচ্চতর আধ্যাত্মিক ও নৈতিক বিবেক। পার্থিব জীবনের মোহ ও ক্ষণস্থায়ী আকর্ষণ থেকে মানুষকে মুক্ত রেখে চিরন্তন সত্যের পথে পরিচালিত করাই হলো প্রকৃত বুদ্ধির কাজ। একজন বুদ্ধিমান মানুষ সবসময় এই পৃথিবীর সীমানা পেরিয়ে অনন্তকালের জীবন এবং আখিরাতের সফলতার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেন।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ ও হাদিসের আলোকে প্রকৃত বুদ্ধিমানের মাপকাঠি সম্পূর্ণ আলাদা। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এমন ব্যক্তিদেরই প্রকৃত বুদ্ধিমান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যারা নিজেদের প্রবৃত্তির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হন। যারা মৃত্যুর পরবর্তী চিরস্থায়ী জীবনের পাথেয় সংগ্রহে সবসময় ব্যস্ত থাকেন এবং ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার মোহে আচ্ছন্ন হন না, তারাই মূলত সফল ও প্রজ্ঞাবান।

ইসলামী জীবনদর্শনে জাগতিক জ্ঞান অর্জন বা বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করা হলেও তাকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখা হয় না। জাগতিক অর্জনের পাশাপাশি নৈতিক উৎকর্ষ সাধন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনকেই একজন মুমিনের সর্বোচ্চ বুদ্ধিমত্তা বলে গণ্য করা হয়। কারণ শেষ পর্যন্ত পরকালের জবাবদিহিতাই মানুষের চূড়ান্ত পরিণতি নির্ধারণ করে দেয়।

সংক্ষেপে, নবীজির শিক্ষার আলোকেই একজন মুমিন তার বুদ্ধি ও বিচক্ষণতাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে থাকেন। দুনিয়ার জীবনে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বোঝার পাশাপাশি পরকালের প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃত বুদ্ধিমানের মর্যাদা লাভ করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধসহ ৫ দাবি ওলামা মাশায়েখের
রোম সম্রাটের সামনে ইমানের অগ্নিপরীক্ষা
নামাজ: গোপন পাপ থেকে মুক্তির প্রধান উপায়
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১১ অক্টোবর ২০২৬
অন্যের অতিথি হলে মুমিন যে ৬ বিষয় মনে রাখেন
মালয়েশিয়া কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন হাফেজ ইহতেশামুল হক

আরও খবর

error: Content is protected !!